মনোবিজ্ঞানীদের গবেষণা অনুসারে কম সময়ে সফলতা লাভের উপায় (পর্ব ১)

গবেষণা অনুসারে দেখা যায় 92 % মানুষ তাদের লক্ষে পৌঁছাতে পারছেনা ! কিন্তু ঠিক একই সময়ে আমরা অনেক প্রতিভাবান মানুষের উদাহরণ দেখতে পাই যারা সফল হতে পেরেছেন এবং আমরা প্রায়ই এ ধরণের মানুষের গল্প শুনে থাকি। তাদের সফলতার পেছনে গোপন রহস্য হচ্ছে তাদের সঠিক লক্ষ্য নির্ধারণের সক্ষমতা। সফল হওয়ার জন্যে প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে সঠিক লক্ষ্য ঠিক করা। প্রকৃতপক্ষে এটা খুব কঠিন কাজ নয়। এখানে আমরা অসাধারণ কিছু উপায় দেখতে পাবো যারা সফল হতে চান তাদের এ সম্পর্কে জানা উচিত। আজ আমি আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনি ৮% সফল মানুষের কাতারে নিজেকে সামিল করতে পারেন 

নির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করা : তোমার লক্ষ্য হতে হবে নির্দিষ্ট। তা না হলে তুমি বুঝতেই পারবেনা তুমি কোন কাজের জন্য আগাচ্ছো। যেমন : “চল খেলাধুলা শুরু করা যাক” এই কথার পরিবর্তে আপনি বলতে পারেন “চল ফুটবল খেলা শুরু করা যাক”।কারন এভাবে নির্দিষ্টতার করার মাধ্যমেই কাজ ভালভাবে শুরু হয়।

লক্ষ্যকে মাপতে শিখুন : তোমার সফলতা পরিমাপ করার সক্ষম থাকতে হবে।যেমন : জীমে যাওয়ার আগে কখনো বলবেনা ”আমি প্রতিমাসে ওজন কমাবো।বলবে “আমি প্রতিমাসে ৫পাউন্ড ওজন কমাবো”।এভাবে ছোট ছোট করে লক্ষ্যকে ভাগ করে করে আগাতে শিখতে হবে।

অর্জনকে বড় করে ভাবো : বড় স্বপ্ন দেখার মাঝে কোনো ভুল নাই কিন্তু স্বপ্ন অর্জনের জন্য লক্ষ্য স্থির রাখ বড় স্বপ্নের দিকে। “আমি ৫গুন বেশি ইনকাম করতে চাই“ এই কথার পরিবর্তে আরো বড় কিছুর সাথে একে ভাবো। যেমন ভাবো “আমি চাকরিতে পদ্দোন্নতি পেতে চাই এবং সেই সাথে ইনকাম দ্বিগুণ করতে চাই”

প্রাসঙ্গিকতা : তোমার লক্ষ্য তোমার পরিকল্পনার সাথে মিল থাকা উচিত এবং প্রত্যাশার সাথে। যেমন বলা যায় তুমি ক্রিকেটার হতে চাও তো অবশ্যই তোমাকে ক্লাবে প্রতিদিন খেলতে যেতে হবে।তুমি ক্রিকেটার হতে চাও কিন্তু প্রতিদিন বিকালে যাও আড্ডা মারতে তাহলে লক্ষ্যের সাথে পরিকল্পনার মিল হল না।

সময়কে বাঁধা : তোমার লক্ষ্য নির্ধারণের জন্য থাকতে হবে সঠিক সময়ের সীমা। তোমাকে অবশ্যই একটি কাজ একটি নির্দিষ্ট সময়ের ভিতরেই শেষ করার চেষ্টা করতে হবে।নাহলে লক্ষ্য থেকে পথভ্রষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

You may also like...

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *